বন্ধু আমার বন্ধু
January 16, 2019
Wednesday, January 16
Tuesday, January 15
বন্ধু আমার বন্ধু
January 15, 2019
প্রকৃত ভালোবাসা
প্রকৃত ভালোবাসা
যেখানে খুঁটিগুলো হবে বিশ্বাসের তৈরি ভিতটা হবে আত্নবিশ্বাসের দেয়ালগুলো হবে সারাজীবন পাশে থাকার দৃঢ়তারমত ছাদটা হবে খুলা আকাশটার মত উদাস ভর্তি ভালোবাসা এরি এরই নাম প্রকৃত ভালোবাসা।এ ছিলো এক দনি ব্যাক্তি তার কোন টাকা পয়সার আবাব ছিলো না। তার চেহারা টা দেখতে তেমন সুন্দর ছিলো না। সে এখন বড় ব্যব সাহি। তিনি তার বাবা মার সম্তিতি একটি সুন্দর মেয়ে কে বিয়ে করলো।মেয়ে টি এতটাই দেখতে সুন্দর যেন দশ গায়ের মধো একটা চাঁদ। তার চেহেরা এতটা সুন্দর হওয়ায় সত্যেও তার মনে কোন দুঃখ ছিলো না।
কারন সে জানে কলো হলেও সামি ভালো হলোও সামি। মেয়েটি তার ত্বকের প্রতি যত্ন নিত।
একদিন সে তার ত্বক একদরনের রোগ দেখা দিয়েছে । ধীরে ধীরে সে তার সৌন্দর্য হারান শুরু। এটা ঘটেছে যে একদিন তার স্বামী একটি সফরের জন্য বাড়ি থেকে বেড় হয়ে যাই।
ফেরার সময় তিনি একটি দুর্ঘটনা সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। আবাদত সে আন্ধ।
তবে তাদের বিবাহিত জীবন স্বাভাবিক হিসাবে অব্যাহিত ছিলো । কিন্তু দিনের পর মেয়েটা তার সৌন্দর্য ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেছিলেন।
অন্ধ স্বামী এই কথা জানত না যে তার বয়ের এমন চেহারার আধিকারি হয়ে ওঠেছে। তবে
ভালবাসতে অব্যাহিত রেখেছিলেন এবং তিনিও তাকে অনেক ভালোবাসতেন। এবাবেই চলছিলো তার জীবন। একদিন মেয়েটা হঠাৎত মারা গেল। তার মৃত্যু তার সামিকে বড় দুঃখ দিল।
তিনি তার শেষ রীতিনীতি সমাপ্ত করে সে শহর ছেড়ে চেলে যাচ্ছিল। এমন সময় পিছন থেকে একজন লোক ডেকে বলল... এখন আপনি একা একা হাঁটতে পারবেন কিভাবে? পতেক দিন আপনার স্ত্রী আপনাকে সাহায্য করতেন। তিনি কিছু খন দাড়িয়ে থেকে বলো.... আমি অন্ধ নই। আমি অভিনয় করছিলাম, কারণ সে যদি জানতো আমি তার কুৎসিততা দেখতে পাচ্ছি তবে তার রোগের চেয়ে তাকে বেশি কষ্ট দেয়া হবে। তাই আমি অন্ধের আবিনয় করে ছিলাম।
সে আমার খুব ভাল স্ত্রী ছিল। আমি শুধু তাকে খুশি রাখতে চেয়েছিলাম। উক্ত গল্প থেকে আমরা যা বুঝলাম *** সুখী হওয়ার জন্য আমাদের অন্ধের কাজ করা এবং একে অপরের ছোট্ট ঘটনাগুলি উপেক্ষা করা ভালো*** * দাঁত জিহ্বাকে কত বার আগাদ করে তারা পরে এখনও এক মুখের মধ্যে একসাথে থাকা। যে ক্ষমা মনোভাব।এরি নাম প্রকৃত ভালোবাসা*** চোখ একে অপরের দেখতে না হলেও, তারা একসঙ্গে জিনিস দেখতে, একসাথে আলিঙ্গন এবং একসঙ্গে কান্নাকাটি করতেন। এটা একতা***এটাই নাম প্রকৃত ভালোবাসা**** ঈশ্বর আমাদের ক্ষমা, ঐক্য এবং একত্রিততার সমস্ত আত্মা প্রদান করতে পারেন। ঈশ্বর আমাদের ক্ষমা, ঐক্য এবং একত্রিততার সমস্ত আত্মা প্রদান করতে পারি।একা আমি 'বলতে পারি' কিন্তু একসঙ্গে আমরা 'আলোচনা' করতে পারি একা আমি উপভোগ করতে পারি 'কিন্তু একসাথে আমরা উদযাপন করতে পারি। আলোচনাই আমি 'হাসি' কিন্তু একসঙ্গে আমরা হাসতে পারি।যে মানব সম্পর্কের সৌন্দর্য। আমরা একে অপরের ছাড়া কিছুতেই আজকের উদ্ধৃতি। রেজার ব্লেড তীক্ষ্ণ কিন্তু একটি গাছ কাটা যাবে না; কুড়ান শক্তিশালী কিন্তু চুল কাটা যাবে না তেমনি ভাবে প্রকৃত ভালোবাসা কখনো হৃদয় থেকে মুছে যায় না
কারন সে জানে কলো হলেও সামি ভালো হলোও সামি। মেয়েটি তার ত্বকের প্রতি যত্ন নিত।
একদিন সে তার ত্বক একদরনের রোগ দেখা দিয়েছে । ধীরে ধীরে সে তার সৌন্দর্য হারান শুরু। এটা ঘটেছে যে একদিন তার স্বামী একটি সফরের জন্য বাড়ি থেকে বেড় হয়ে যাই।
ফেরার সময় তিনি একটি দুর্ঘটনা সঙ্গে যুক্ত হয়ে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। আবাদত সে আন্ধ।
তবে তাদের বিবাহিত জীবন স্বাভাবিক হিসাবে অব্যাহিত ছিলো । কিন্তু দিনের পর মেয়েটা তার সৌন্দর্য ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেছিলেন।
![]() |
অন্ধ স্বামী এই কথা জানত না যে তার বয়ের এমন চেহারার আধিকারি হয়ে ওঠেছে। তবে
ভালবাসতে অব্যাহিত রেখেছিলেন এবং তিনিও তাকে অনেক ভালোবাসতেন। এবাবেই চলছিলো তার জীবন। একদিন মেয়েটা হঠাৎত মারা গেল। তার মৃত্যু তার সামিকে বড় দুঃখ দিল।
তিনি তার শেষ রীতিনীতি সমাপ্ত করে সে শহর ছেড়ে চেলে যাচ্ছিল। এমন সময় পিছন থেকে একজন লোক ডেকে বলল... এখন আপনি একা একা হাঁটতে পারবেন কিভাবে? পতেক দিন আপনার স্ত্রী আপনাকে সাহায্য করতেন। তিনি কিছু খন দাড়িয়ে থেকে বলো.... আমি অন্ধ নই। আমি অভিনয় করছিলাম, কারণ সে যদি জানতো আমি তার কুৎসিততা দেখতে পাচ্ছি তবে তার রোগের চেয়ে তাকে বেশি কষ্ট দেয়া হবে। তাই আমি অন্ধের আবিনয় করে ছিলাম।
সে আমার খুব ভাল স্ত্রী ছিল। আমি শুধু তাকে খুশি রাখতে চেয়েছিলাম। উক্ত গল্প থেকে আমরা যা বুঝলাম *** সুখী হওয়ার জন্য আমাদের অন্ধের কাজ করা এবং একে অপরের ছোট্ট ঘটনাগুলি উপেক্ষা করা ভালো*** * দাঁত জিহ্বাকে কত বার আগাদ করে তারা পরে এখনও এক মুখের মধ্যে একসাথে থাকা। যে ক্ষমা মনোভাব।এরি নাম প্রকৃত ভালোবাসা*** চোখ একে অপরের দেখতে না হলেও, তারা একসঙ্গে জিনিস দেখতে, একসাথে আলিঙ্গন এবং একসঙ্গে কান্নাকাটি করতেন। এটা একতা***এটাই নাম প্রকৃত ভালোবাসা**** ঈশ্বর আমাদের ক্ষমা, ঐক্য এবং একত্রিততার সমস্ত আত্মা প্রদান করতে পারেন। ঈশ্বর আমাদের ক্ষমা, ঐক্য এবং একত্রিততার সমস্ত আত্মা প্রদান করতে পারি।একা আমি 'বলতে পারি' কিন্তু একসঙ্গে আমরা 'আলোচনা' করতে পারি একা আমি উপভোগ করতে পারি 'কিন্তু একসাথে আমরা উদযাপন করতে পারি। আলোচনাই আমি 'হাসি' কিন্তু একসঙ্গে আমরা হাসতে পারি।যে মানব সম্পর্কের সৌন্দর্য। আমরা একে অপরের ছাড়া কিছুতেই আজকের উদ্ধৃতি। রেজার ব্লেড তীক্ষ্ণ কিন্তু একটি গাছ কাটা যাবে না; কুড়ান শক্তিশালী কিন্তু চুল কাটা যাবে না তেমনি ভাবে প্রকৃত ভালোবাসা কখনো হৃদয় থেকে মুছে যায় না
Thursday, January 10
বন্ধু আমার বন্ধু
January 10, 2019
বন্ধু আমার বন্ধু
বন্ধু আমার বন্ধু
পৃথিবীটা খুব একটি জটিল জাইগা। চারিদিকে মিথ্যার চাদর বিছানো। ওটা কে খুঁজে বের করা খুবই কষ্টদায়ক। বন্ধু কথাটি ছোট হলো কিন্তু এটা মধ্যে লুকিয়ে আছে বিশাল আকাশের সমান এক টুকরো ভালোবাসা । আসলে সত্যিকার অর্থে আমরা প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা কখনো একা নয়। চলার পথের রাস্তাগুলো বন্ধু ছাড়া চলা একেবারে অসম্ভব। সত্যিকার অর্থে বন্ধু শব্দটি বুঝাই যে, বিপদে কখনো বন্ধুর পরিচয় নয়। সবার জীবনে ভাল বন্ধু মেলে না, তৈরী করে নিতে হয়।
প্রকৃত বন্ধুত্ব কখনো হারায় না বেঁচে থাকে চিরকাল হৃদয়ের মাঝে । বন্ধু মানে উজান তীরের ঢেউ..... সোনার তীরে বায়েআনা মন খারাপের অন্ধকারে একটু খুশির হাওয়া,বন্ধু মানে হৃদয় জুড়ে ভালবাসার, বন্ধু মানেই গানের সুর বৃষ্টিতে ভেজা...। কখনো অল্প দিনের পরিচয়ে কখনো বন্ধুত্ব গভীর হয় না। দীর্ঘদিন ধরে যে আমার সুখে-দুঃখে পাশে ছিল সেই কী প্রকৃত বন্ধু? না- কোনো একটা কারণে অল্প দিনের চেনা সেই মানুষই হয়ে যেতে পারে সারা জীবনের প্রিয় বন্ধু। বন্ধু মানে দুষ্টুমি....বন্ধু মানে একটু আড্ডা... বন্ধু মানে মনের কথা... বন্ধু মানে হালকা একটু রাগ.... বন্ধু মানে খাওয়াতে অজুহাত..... বন্ধু মানে ভাই তুমি আমার... বন্ধু মানে কি হয়েছে বল...বন্ধু মানে মেয়ে দেখতে যাব.... আমার সাথে চল... বন্ধু মানে রাগ করিস না আমি কি তোর পর...
প্রিয় বন্ধু আমার......... {মনির }{সামিউল}{ আরিফ }{আল -আমিন }{সজীব}{ মেহেদী}
Monday, January 7
বন্ধু আমার বন্ধু
January 07, 2019
গা শিউরে ওঠার মতো ভয়ংকর এক ভৌতিক ঘটনা
গা শিউরে ওঠার মতো ভয়ংকর এক ভৌতিক ঘটনা
না বৃহস্পতিবার রাতে পিকনিকের সকল বস্তুর ভাড়া সহ কিনা আরম্ভ করলাম পরদিন সকাল শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে সকল বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে লাগলাম এবং সকলে মিলে সকল উপকরন গুলো নিয়ে আসতে লাগলাম। এবং আমরা কোন জায়গায় তাবু করব তা নিয়ে চিন্তা । ও আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি আমরা যে এলাকার থাকি সেই এলাকাতে ভয়ংকর কোন জায়গায় ছিল না জানা মতে কিন্তু জানি না যে আমরা যে জায়গায় ঠিক করেছিলাম সেই জায়গায় এতটা ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে যাবে । আমাদের আয়োজন এর মধ্যে ছিল ছোট্ট একটি তাবু এবং দুইটি বক্স আমরা বন্ধুরা যখন বক্স ভাড়া করেছিলাম তখন কারোরই মনে ছিল না যে বক্স বাজানো ব্যাটারি নিতে হবে। তারপর যখন মনে হল সকলে ঠিক করলাম কারেটে খাম্বা থেকে কারেন্ট নিয়ে বক্স বাজাবো। আমাদের মধ্যে আবার দুইজন ছিল ইলেকট্রনিক মেকআর। তারপর মেগা দুজন তারাও খাম্বার উপর উঠে বিদ্যুতের লাইন দিল অবশেষে জানা গেল যে তারে বিদ্যুতের লাইন দিয়েছিল সেই তারে কোন বিদ্যুৎ ছিল না। তারপর তার খুলে রাখা হলো। তার পরে সকলে মাথায় চিন্তা কি ভাবে গান বাজাব। অবশেষে বন্ধুরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে অন্যার বাড়ি থেকে আমরা বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের প্রোগ্রামটি চালিয়ে যাব। কিন্তু না বাড়ির কর্তৃপক্ষ কিছুতেই রাজি হলো না। তারপর আমরা মনের দুঃখে আবেগের সুখে সিদ্ধান্ত নিলাম যে অন্য একটা জায়গায় কি আমরা প্রোগ্রামটির চালাবো তার জন্য রাস্তার পাশে ছিল একটি ছোট্ট একটি কবরস্থান তার পাশে একটি ছোট্ট খেত তার পাশে কি কারেন্টের খাম্বা সেখা থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে প্রোগ্রামটি চালিয়ে যাব এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো তারপর কারেন্টের লাইন ওকে করা হলো। এবার বক্স বাজচ্ছে গান হচ্ছে। বন্ধুরা সকলের মনের সুখে যার যে দায়িত্ব ছিল সে অনুসারে কাজ করতে লাগলাম এভাবে চলতে থাকলো আমাদের সেই দিন টা আস্তে আস্তে বিকাল গড়িয়ে আসলো সন্ধ্যা। সেখানে মাএ একটা লাইটের ব্যবস্থা ছিল। এভাবেই চলছিল আমাদের ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম। সকলে তো আমরা আনন্দে মেতে উঠেছিলাম সেই সময়। আমরা তো কোনাস আমরা তখন সকলেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম চার্জে কাজ নিয়ে কেউবা রান্না করার প্রস্তুতি কেউ আমার ফেসবুক লাইভে কেউ আবার কথা বার্তা নিয়ে ব্যস্ত কেউবা গান বাতাসে কেউ আবার ফোনে কথা বলছে কে আবার নিত্য করছে এই স্বপ্নে সকলে আমরা ব্যস্ত উঠলাম এভাবেই চলতে চলতে রাত 9 টা বেজে গেল।
নাটোর থেকে আমরা ঠিক করলাম এখন রান্নার কাজটা শেষ করে ফেলব কারণ শীতের রাতে সাধারণত নয়টার সময় গভীর রাতে পরিণত হয় সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা রান্না করতে আরম্ভ করলাম সেই সময় ঘটে গেল এতে ভয় করে দুর্ঘটনা। পাশে যে কবরস্থানটি ছিল সেখান থেকে এক ভয়ংকর চিৎকারের আওয়াজ আমরা শুনি তেমনটি ভয় পাইনি ভেবেছিলাম হয়তো অন্য কোন জায়গা থেকে অওয়াজটি এসেছে। এ ভেবে আমরা আমাদের প্রোগ্রাম চালাতে থাকলাম চালাতে চালাতে আমরা যখন বিরিয়ানি রান্নার জন্য সব উপকরণ নিয়ে হাজির হলাম তখন সবকিছু ঠিকই ছিল আমাদের মধ্যে রান্না করতে পারদর্শী ছিল দিপু,সে রান্না করার জন্য শেয়ার মধ্যে আগুন দিয়ে রান্না আরম্ভ করলো যখন সে পাতিলের ভেতর 1 লিটার তেলে ঢেলে দিল তখন দেখতে পেল তেল আর তেল নেই তেল যেন পানি হয়ে গেছে সে ভেবেছিল হয়তো রাতের অন্ধকারের জন্য এরকম টা হয়েছে কিন্তু না আসলেই তেল কি তখন পানি হয়ে গেছে তারপরও না বুঝে না বুঝার জন্য পিয়াজ তেলের মধ্যে ঢেলে দিল ফেলে দেওয়ার পর আমাদের কয়েকজন বন্ধুর সাথে পরামশ করে দেখা গেলযে তা ঠিক আছে কি। বন্ধুরা দেখে বললাম না এ তো তেল না একদম স্বচ্ছ পানি তারপর তারা গোপনে পরামর্শ করল যে এই ব্যাপারটা বাকি বন্ধুদের কে বলা যাবে না । তারা আমাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে তেল এবং পেঁয়াজ কিনে নিয়ে এসে। এবাবেই চলতে থাকলো আমাদের বাকি সময় পর্বতের আমরা সকলে অনুষ্ঠানটি শেষ করে বাড়ি ফিরে যায়
পরের দিন সকাল দেখে আমরা ঘটনাটি সত্যি কিনা তা দেখার জন্য সেই জায়গায় যাই যাওয়ার পরও দেখতে পেলাম অবশ্যই গঠনটা সত্যি ছিলো ।
Monday, December 31
বন্ধু আমার বন্ধু
December 31, 2018
Happy New year 2019
Happy New year 2019
সম্মানিত জাতিবগ ও বন্ধ গণ দেশবাসী দের শুরুতেই জানাই আপনাদের আমার অন্তস্থল থেকে আামাদের ভালোবাসা ও অভিনন্দন। আসছে আগামি ৩১ শে ডিসেম্বর রাত১২ টা ১মিনিটে উজাপিত হতে যাছে বিশ্বের এক মাএ নির্বাচন। উক্ত নির্বাচন বিশ্বের সেরা প্রাথি হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছে
আমার ভাই, তোমার ভাই, হ্যাপি ভাই, হ্যাপি ভাই,
বিপুল ভোটে দিচ্ছে ডাক....
হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০১৯জিতে যাক।
আমার ভাই, তোমার ভাই, হ্যাপি ভাই, হ্যাপি ভাই,
এবারের মার্কাটা কী ?
নিউ ইয়ার ছাড়া আবার কী ?বিপুল ভোটে দিচ্ছে ডাক....
হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০১৯জিতে যাক।
HAPPY NEW YEAR 2019
Labels:
ছোট একটি ইতিহা,
ছোট গল্প,
বন্ধু আমার বন্ধু
Saturday, December 22
ছোট একটি ইতিহা
December 22, 2018
অভাগিনী মা
অভাগিনী মা
আভাগিনি মা" কথাটি শুনতে যোন কেমন লাগে। সত্যি কথাটি আসলেই কেমন যেন লাগে।
বর্তমান সময়ে একটা ঘঠনা।২০১৮ সালে এক আভাগিনি মা মায়োর কাহিনী। পরিবারটি খুব গরিব। তার ফেমেলিতে তিন জন।মা-বাবা ও এক ছেলে নিয়ে তাদের সুখের সংসার চলছিল।
ছেলেটির বয়স যখন ১৫বছর বয়স তখন তার তার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়। শুরু হয় তাদের অভাবের সংসার জীবন। তারা অনেক কষ্ট করে জীবন যাপন করতে শুরু করল। তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে। এভাবে চলে গেল এক বছর। একদিন তার বাড়ি বাড়ির পাশের এক লোক তার ছেলেকে বিদেশে নিয়ে যাবে বলে তাকে প্রস্তাব দেয় পস্তাবে রাজি হয়ে যায় কিন্তু তারা কাছে 2 লক্ষ টাকা দাবি করে কিন্তু কার কাছে এত টাকা ছিল না অবশেষে তার বাড়ির জমি বিক্রি করে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পরিকল্পনা করে।
অবশেষে তার বাড়ি জমি বিক্রি করে দেই। এখন তার বাড়িতে থাকার মত কোন জায়গা নেই। এখন সে অন্য বাড়িতে কাজ করে। কোন জায়গা নেই থাকার। যেখানে রাত সেখানে শুয়ে পড়ে। এভাবে চলতে থাকে দিন অবশেষে তার ছেলে ভালো পজিশনে চলে যায় এবং দেশে যে তার মা আছে কোনো খোঁজ-খবর নেয় না সে। অনেক খারাপ বাবে ছিল তার জীবন। আস্তে আস্তে সে যতই দরকার কাজে তার শরীরের অবস্থা তাকাও খারাপ হয়ে যায় ও শেষে তার অবশেষে তার প্রতিবেশীরা তাদের অবস্থা দেখে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরীক্ষা করার পরে ধরা পড়েছে তার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। কখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। তার ছেলেকে ফোন দেয়া হয়। ফোনে তার ছেলেকে বলা হয়েছে তুমার মায়ের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। তখন তা ছেলে অন্য রকম একই আচরণ করে বলেই তো আমি এখন কি করবো। তখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলে যদি আপনার দুই কিডনি থেকে একটা কিডনি আপনার মা কে দেন তাহলে আপনার মা কিছুদিন বেঁচে থাকবে। তখন তার ছেলে বলে এটা কিভাবে সম্ভব। তখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলে অবশ্যই সম্ভব আপনি যদি আপনার দুইটি কিডনি থেকে একটা দেন তাহলে আপনিয় বেচে থাকবেন এবং কি আপনার মাও বেঁচে থাকবে। তখন তার ছেলে বলে উঠল আমার জীবনটা এইমাত্র শুরু হয়ে উঠেছে। তখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ বলে উঠলো এটা অবশ্যই সম্ভব আপনি একটু ভেবে বলুন। তখন তার ছেলে বলল না এটা কখনোই সম্ভব না কারন আমার জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত এই মাত্র শুরু হয়েছে এবং আমার একটা পরিবার আছে
ছেলের বয়ানের মতে আমরা বুঝলাম যে তার জীবনের কিছুটা অংশ এই মাত্র শুরু হয়েছে এই সেই বোঝাতে চেয়েছে এটাই সে বুঝাতে চেয়েছে সে বুঝাতে চেয়েছে তার মা তো এখন বৃদ্ধ হয়ে গেছে এখন সে মারা গেলে কোনরকমে তার সমস্যা হবে না কিন্তু তার জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত এখন শুরু হয়েছে এখন যদি তার দুইটি কিডনি থেকে একটা চিকনি তার মাকে দিয়ে দেয় তাহলে তার বাকি জীবন কিভাবে চলবে এই নিয়ে চিন্তা করল তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলল এ রকম সন্তান জন্ম হাত থেকে না হয়ত ভাল ছিল কেন যে এই অভাগিনী মায়ের এরকম একটি সন্তান জন্ম নিয়েছিল আমি তো সেটা ভেবে পাচ্ছি না। তখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ সেই ছেলেকে বলল যে তোমার মা তোমার জন্য কি বলেছিল তুমি তা শুনতে চাও তাহলে শুনো তখন তার মায়ের সমস্ত ঘটনা আস্তে আস্তে বলতে লাগল তার মা বলেছিল আমার দেহের প্রত্যেকটা অঙ্গ অঙ্গ বিক্রি করে দিয়েও আমার ছেলেকে দিয়ে দিও তাও যেন সে সুখে থাকে।
তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় যে দুনিয়াতে আসলে এরকম ছেলে থাকার থেকে না থাকাই ভালো। গল্পটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ সবাইকে।
বর্তমান সময়ে একটা ঘঠনা।২০১৮ সালে এক আভাগিনি মা মায়োর কাহিনী। পরিবারটি খুব গরিব। তার ফেমেলিতে তিন জন।মা-বাবা ও এক ছেলে নিয়ে তাদের সুখের সংসার চলছিল।
ছেলেটির বয়স যখন ১৫বছর বয়স তখন তার তার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়। শুরু হয় তাদের অভাবের সংসার জীবন। তারা অনেক কষ্ট করে জীবন যাপন করতে শুরু করল। তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে। এভাবে চলে গেল এক বছর। একদিন তার বাড়ি বাড়ির পাশের এক লোক তার ছেলেকে বিদেশে নিয়ে যাবে বলে তাকে প্রস্তাব দেয় পস্তাবে রাজি হয়ে যায় কিন্তু তারা কাছে 2 লক্ষ টাকা দাবি করে কিন্তু কার কাছে এত টাকা ছিল না অবশেষে তার বাড়ির জমি বিক্রি করে ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পরিকল্পনা করে।
![]() |
ছেলের বয়ানের মতে আমরা বুঝলাম যে তার জীবনের কিছুটা অংশ এই মাত্র শুরু হয়েছে এই সেই বোঝাতে চেয়েছে এটাই সে বুঝাতে চেয়েছে সে বুঝাতে চেয়েছে তার মা তো এখন বৃদ্ধ হয়ে গেছে এখন সে মারা গেলে কোনরকমে তার সমস্যা হবে না কিন্তু তার জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত এখন শুরু হয়েছে এখন যদি তার দুইটি কিডনি থেকে একটা চিকনি তার মাকে দিয়ে দেয় তাহলে তার বাকি জীবন কিভাবে চলবে এই নিয়ে চিন্তা করল তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলল এ রকম সন্তান জন্ম হাত থেকে না হয়ত ভাল ছিল কেন যে এই অভাগিনী মায়ের এরকম একটি সন্তান জন্ম নিয়েছিল আমি তো সেটা ভেবে পাচ্ছি না। তখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ সেই ছেলেকে বলল যে তোমার মা তোমার জন্য কি বলেছিল তুমি তা শুনতে চাও তাহলে শুনো তখন তার মায়ের সমস্ত ঘটনা আস্তে আস্তে বলতে লাগল তার মা বলেছিল আমার দেহের প্রত্যেকটা অঙ্গ অঙ্গ বিক্রি করে দিয়েও আমার ছেলেকে দিয়ে দিও তাও যেন সে সুখে থাকে।
তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় যে দুনিয়াতে আসলে এরকম ছেলে থাকার থেকে না থাকাই ভালো। গল্পটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ সবাইকে।
Sunday, December 16
ছোট একটি ইতিহা
December 16, 2018
আবেগি ভালোবাসা
আবেগি ভালোবাসা
যাই দিন যাই মাস তাদের ভালোবাসা আর গভীরে চলতে থাকে। এক দিন তাদের মধ্যে কথা বাতা হচ্ছিল এমন সময় ছেলেটি হটাত বলে ওঠল
তোমাকে সেই ঘরটা দিয়েছিলাম যেখানে অন্য কেউ যেন ঢুকতে পারবে না। এই কথাবলার সাথে সাথে মেয়ে টি বুলবুঝে ছেলে টাকে।
তার মনের সেই ঘরটা আজ তুমি ভেঙে দিয়েছ অন্য কারোও ঘরে বসবাস করবে বলে।
তখন ছেলে টি বলে উঠে তুমি কালো, কুৎসিত,বিস্রি... এতটা জঘন্য কেউ হতে পারে তা আমার ভাবনার বাইরে ছিল। তুমি এতটা নিচু মনের মানুষ সেটা আগে জানলে কখনই সম্পর্ক গড়তাম না তোমার সাথে।মেয়ে টি বলে মানে কি? আসলে সত্যি করে বলতে গেলে মেয়েটা এতটা জঘন্য,বিস্রি,কালো বা কুৎসিত নয়। কথা গুলো খুবই হৃদয় বিদারক। তার পরে এক কথাই দুই কথাই তাদের সম্পক ভেঙ্গে যাই।এই গল্প থাকে আমরা বুঝলাম পতিটি কথা শিনে বুঝে উওর দিলে তাদের এই ভালো সম্পর্ক কখনই নষ্ট হতো না।
Thursday, December 13
ছোট গল্প
December 13, 2018
ছোট একটি ইতিহাস
ছোট একটি ইতিহাস
আজকে আমার ছোট একটি ইতিহাস শুরু করার আাগে বলতে চাই আমাদের এই গল্পটি ভালো লাগলে আামাদের দয়াকরে জানাবেন।শুরু করছি আল্লাহ নামে ১৯৫৯সালে জম্ন গহন করে এক শিশু। সেই শুশুটি তেমন কোন বড় পরিবারে জন্ম গহন করে নি ।তার পিতা -মাতা ছিলেন খুব গরিব আবাবি। ছোট শিশুটি তার বাবার আবাবের সংসারে বড় হতে থাকে। শিশুর বায়স যখন চার বছর অথবা তার চেয়ে একটু বেশি তখন তার পেটে খিদা মিটাতে তাকে কাজে নেমে জেতে হয়। শিশুটি আনের বাড়িতে কাজ করে কুনমতে জীবন কাটাতে থাকে এবং সে বড়ও হতে থাকে। তার জীবন টা এমনছিল যে কষ্ট এখানে কাগজপত্রেে লিখে বুঝান যাবে না।
তার জীবনে পাতা গুলো আসতে আাসতে খুলতে থাকে। সে আনের বাড়ি কাজ করে এবং কাজ করে জীবন চলাতে থাকে। তিনি আনেক বিপদ কষ্টের মুকা বিলা করে তিনি বড় হয় । এবাবেই চলতে থাকে তার জীবন।যেহেতু সে গরিব ঘড়ের সন্তান সেহেতু তার বাবা -মা সিধান্তেনে তার ছেলেকে বিবাহ করাবে । আনেক খুজেএক গরিব ঘড়ের মেয়েরসাথে তার বিবাহ করান হয় । তার পরে তেদের জীবনে চলছিল কুন মতে। একদিন তারা বুধিকরে কিছু আনের জমি বন্ধক নেই।সে বেবেছিল তার বাবা-মা স্ত্রীকে নিয়ে এবার বুজি সুখের দিন আসবে......কিন্তু না তার বাবা হটাত ইন্তেকাল করল
তা একসপ্তহা বাদ তার মা বাবার সুখু ইন্তেকাল করে। এবা বাবেই সুরু হয় সেই লোকের জীনর।
তিনি১৯৯৪সালে এক সন্তানের বাবা হয় ।শুরু হয় তিনজন মানুষের জীবনি। ছেলেটা বড় হতে থাকে বাবা-মার আাশাও বড় হতে থাকে।ছেলেটিকে পাঁচ বছর
বয়সে ইস্কুলেবতি করে দেই। এবাবেই চলতে থাকে তাদের ৷ জীবন। ১৯৯৯ সালে আরেকটি ছেলে সন্তান হয় । মা -বাবার আশা ছিল যে বড় ছেলেটাকে মানুষের মতো মানুষ করে তুলবে। কিন্তু তাদের আশার যে কষ্টের ঠিকানা ঘড়ে উঠবে তা তাদের যানা ছিলো না।
বড় ছেলে যত বড় হতে থাকে মা-বাবার আশা ততই বড় হতে থাকে।বড় ছেলের বয়স ১৪ বছর তখন বড় ছেলে নবম শ্রেনীতে পড়ে। তখন থেকেই তার বাবা -মা ছেলের সুখের জন্য চাকরির খুজ করতে থাকে। কিন্তু আনে খুজখবর নিয়ে দেখলো এক লোক চাকরি নিয়ে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। কিন্তু ছেলের সুখের জন্য তাতেও রাজি হয়ে যাই। কিন্তু সে জানে না এত টাকা পাবে কুথাই।ও একটা কথা বলতে বালেই গেছি। বড় ছেলের বয়স ১২তখন আনেক কষ্ট করে অল্প কিছু জমি কিনে ছিলো। বাগের পরিহাসে সেই জমি বিক্রয় করে ২বিঘা জমিন কিনেন তিনি। এইবাবে চলতে থাকে তাদের সুখের জীবন ।পরবতিতে ছেলেরচাকরি জন্য টাকা যুগাতে ১বিঘা বিক্রয় করে তিনি। মনে তার আশা ছেলের চাকরি হলেও আন্তত কিছুটা সিখুর দেখা মিলবেত। তার পরেও চাকরির কোন দেখা মিলো না ৩ বছর টাকা আনের কাছে রেখে দিলো কিন্ত কোন চাকরির দেখা মিলো না। তারপর চাকরির জন্য যে টাকা দিয়ে ছিল তা ফিরত নিলেন তিনি। তার পরে এক যাই গাই চাকরির জন্য ১৪ লক্ষ টাকার রাজি তাও চাকি নাই। আন্য খানে। নগদ ৯ লক্ষ টাকার রাজি তাও কোন চাকরি হলো না। এবাবে আনেক জাইগাই এবাবে রাজি হতে থাকে। আবশে তার বড় ছেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে তে চাকরি হয়। এখনও সে চাকরিরত আছে। কিন্ত কথা ছিলো বড় ছেলের চাকরি হলেই তা কষ্টের শেষ কিন্ত না। পারিবারিক সমস্যা করনটুক আমি বলতে চাচ্ছি না যেই কারণেে আজ তা জীবনে তিনি সুখে দেখা মিলেনি। মিলবে কিনা জানা নেই আজকেও তিনি একটু সুখের খুজ কর থাকে ।
তার জীবনে পাতা গুলো আসতে আাসতে খুলতে থাকে। সে আনের বাড়ি কাজ করে এবং কাজ করে জীবন চলাতে থাকে। তিনি আনেক বিপদ কষ্টের মুকা বিলা করে তিনি বড় হয় । এবাবেই চলতে থাকে তার জীবন।যেহেতু সে গরিব ঘড়ের সন্তান সেহেতু তার বাবা -মা সিধান্তেনে তার ছেলেকে বিবাহ করাবে । আনেক খুজেএক গরিব ঘড়ের মেয়েরসাথে তার বিবাহ করান হয় । তার পরে তেদের জীবনে চলছিল কুন মতে। একদিন তারা বুধিকরে কিছু আনের জমি বন্ধক নেই।সে বেবেছিল তার বাবা-মা স্ত্রীকে নিয়ে এবার বুজি সুখের দিন আসবে......কিন্তু না তার বাবা হটাত ইন্তেকাল করল
তা একসপ্তহা বাদ তার মা বাবার সুখু ইন্তেকাল করে। এবা বাবেই সুরু হয় সেই লোকের জীনর।
বয়সে ইস্কুলেবতি করে দেই। এবাবেই চলতে থাকে তাদের ৷ জীবন। ১৯৯৯ সালে আরেকটি ছেলে সন্তান হয় । মা -বাবার আশা ছিল যে বড় ছেলেটাকে মানুষের মতো মানুষ করে তুলবে। কিন্তু তাদের আশার যে কষ্টের ঠিকানা ঘড়ে উঠবে তা তাদের যানা ছিলো না।
বড় ছেলে যত বড় হতে থাকে মা-বাবার আশা ততই বড় হতে থাকে।বড় ছেলের বয়স ১৪ বছর তখন বড় ছেলে নবম শ্রেনীতে পড়ে। তখন থেকেই তার বাবা -মা ছেলের সুখের জন্য চাকরির খুজ করতে থাকে। কিন্তু আনে খুজখবর নিয়ে দেখলো এক লোক চাকরি নিয়ে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। কিন্তু ছেলের সুখের জন্য তাতেও রাজি হয়ে যাই। কিন্তু সে জানে না এত টাকা পাবে কুথাই।ও একটা কথা বলতে বালেই গেছি। বড় ছেলের বয়স ১২তখন আনেক কষ্ট করে অল্প কিছু জমি কিনে ছিলো। বাগের পরিহাসে সেই জমি বিক্রয় করে ২বিঘা জমিন কিনেন তিনি। এইবাবে চলতে থাকে তাদের সুখের জীবন ।পরবতিতে ছেলেরচাকরি জন্য টাকা যুগাতে ১বিঘা বিক্রয় করে তিনি। মনে তার আশা ছেলের চাকরি হলেও আন্তত কিছুটা সিখুর দেখা মিলবেত। তার পরেও চাকরির কোন দেখা মিলো না ৩ বছর টাকা আনের কাছে রেখে দিলো কিন্ত কোন চাকরির দেখা মিলো না। তারপর চাকরির জন্য যে টাকা দিয়ে ছিল তা ফিরত নিলেন তিনি। তার পরে এক যাই গাই চাকরির জন্য ১৪ লক্ষ টাকার রাজি তাও চাকি নাই। আন্য খানে। নগদ ৯ লক্ষ টাকার রাজি তাও কোন চাকরি হলো না। এবাবে আনেক জাইগাই এবাবে রাজি হতে থাকে। আবশে তার বড় ছেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে তে চাকরি হয়। এখনও সে চাকরিরত আছে। কিন্ত কথা ছিলো বড় ছেলের চাকরি হলেই তা কষ্টের শেষ কিন্ত না। পারিবারিক সমস্যা করনটুক আমি বলতে চাচ্ছি না যেই কারণেে আজ তা জীবনে তিনি সুখে দেখা মিলেনি। মিলবে কিনা জানা নেই আজকেও তিনি একটু সুখের খুজ কর থাকে ।









